জামায়াত প্রার্থীর অসংলগ্নতা নিয়ে প্রধান উপদেষ্টা, সেনাপ্রধান ও নির্বাচন কমিশনার বরাবর প্রবাসী বাংলাদেশির খোলাচিঠি
  • সেনাবাহিনীকে জামায়াত প্রার্থীর ‘কুকুরের মতো’ উল্লেখের বিষয়ে রাষ্ট্রীয় স্পষ্টীকরণের দাবি

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে প্রকাশিত এক খোলা চিঠিতে প্রবাসী বাংলাদেশি ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক শামসুল আরেফীন দেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা, সেনাপ্রধান ও প্রধান নির্বাচন কমিশনারের প্রতি তাঁর গভীর উদ্বেগ ও আপত্তি জানিয়েছেন। কঠোর পরিশ্রম করে বৈধ মাধ্যমে দেশের জন্য রেমিট্যান্স পাঠানো একজন সাধারণ প্রবাসী নাগরিক হিসেবে তিনি দেশের ভবিষ্যত ও নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে উদ্বিগ্ন।

শামসুল আরেফীন তার চিঠিতে উল্লেখ করেছেন, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া এক ভিডিওতে ‘এস. এম. খালিদুজ্জামান’ নামের এক ব্যক্তি যিনি তারেক জিয়ার প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন, সেনা কর্মকর্তার সাথে কথোপকথন করছেন। সেই ভিডিওতে উক্ত ব্যক্তি বাংলাদেশের সেনাবাহিনীকে ‘অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে দেশ ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে’ এবং ‘সেনাবাহিনী তারেক জিয়ার জন্য জিহ্বা দিয়ে রাস্তা পরিষ্কার করছে’ বলে মন্তব্য করেছেন। এছাড়া ভিডিওতে সেনাবাহিনীকে ‘কুকুরের মতো পা চাটা’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।


৯ ফেব্রুয়ারি বিটিভিতে ভাষণ দেবেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান৯ ফেব্রুয়ারি বিটিভিতে ভাষণ দেবেন তারেক রহমান

প্রবাসী বিশ্লেষক শামসুল আরেফীন তার চিঠিতে প্রধান উপদেষ্টাকে তিনি অনুরোধ করেছেন, সেনাবাহিনী কীভাবে দেশ ধ্বংসের পরিকল্পনা করছে তা নিয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে জাতিকে স্পষ্ট অবহিত করতে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে।

তিনি জুলাই শহীদদের নিজের ভাই সম্বোধন করে প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন ,
একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে ভোটাধিকার প্রয়োগের জন্য তাঁরা চব্বিশের জুলাইয়ে প্রাণ দিয়েছিল। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, যিনি সেনানিবাসের মতো সংবেদনশীল এলাকায় আইন মানতে অনাগ্রহী, তিনি কি নির্বাচনকালীন সময় আইন মানবেন? পাশাপাশি ওই ব্যক্তির ‘৫ আগস্টের পর সেনা অফিসারদের পা ধরা’ প্রসঙ্গে নিশ্চিত করার অনুরোধ করেন যে, নির্বাচনে প্রভাব বিস্তার করতে তিনি কোনো সেনা অফিসারের সহায়তা গ্রহণ করবেন না।

সেনাপ্রধানের কাছে শামসুল আরেফীন গর্বের প্রতীক হিসেবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে উল্লেখ করে, সেনাবাহিনীর গৌরবোজ্জ্বল বীরত্বগাঁথা নিয়ে প্রবাসীরা গর্ববোধ করেন। তাই তিনি সেনাপ্রধানকে অনুরোধ করেছেন:-

শামসুল আরেফীন শেষ অংশে দেশের প্রতি তার গভীর ভালোবাসা ও দেশপ্রেমের কথা তুলে ধরে উল্লেখ করেছেন, যদি তার বক্তব্যে কোনো ভুল বা অনিচ্ছাকৃত আপত্তিকর শব্দ ব্যবহার হয়ে থাকে, তবে তা ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে গ্রহণ করার অনুরোধ জানিয়েছেন।


আরও দেখুন:-

এপস্টেইনের ফাইল প্রকাশ নিয়ে মার্কিন রাজনীতিতে অস্বস্তি ও বিতর্কএপস্টেইনের ফাইল কি? ফাইল প্রকাশে মার্কিন রাজনীতিতে কেন এতো অস্বস্তি?